চোখে দেখার সমস্যা

বস্তু থেকে সমান্তরাল আলোকরশ্মি চোখের কর্নিয়া বা কালো বলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় বেঁকে যায় এবং চোখের লেন্সের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় দ্বিতীয়বার বেঁকে চোখের রেটিনায় বস্তুর প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে। আর এ জন্য আমরা ওই বস্তুটি দেখতে পাই। আলোকরশ্মির এই পথ যদি স্বাভাবিক থাকে, কোনো গঠনগত পরিবর্তন বা কোনো রোগ যদি না থাকে, সে ক্ষেত্রে চশমা দিয়ে সে দৃষ্টির উন্নয়ন সম্ভব। তখন সে অবস্থাকে রিফ্রাকটিভ এরর বা পাওয়ারজনিত দৃষ্টিস্বল্পতা বলা হয়। এটি সাধারণত চার ধরনের হয়। মায়োপিয়া (ক্ষীণদৃষ্টি), হাইপারোপিয়া (দূরদৃষ্টি), প্রেসবায়োপিয়া।

চোখে দেখার সমস্যা

প্রেসবায়োপিয়া
এতে বয়সজনিত চোখের গঠনগত পরিবর্তনের কারণে চোখের লেন্সের ইলাস্টিসিটি বা স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস পায়। ফলে লেন্সের প্রয়োজনে (বিশেষ করে কাছের জিনিস দেখার জন্য) আকার পরিবর্তন করার ক্ষমতা কমে যায় এবং কাছের জিনিস ঝাপসা দেখায়। ৪০ বছরের পর এ সমস্যা দেখা যায় বলে একে চালসে রোগ বলা হয়। শুধু কাছের জিনিস দেখার জন্য (বিশেষ করে পড়াশোনার জন্য) উত্তল বা পল্গাস লেন্স ব্যবহার করলে এ সমস্যার সমাধান হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চশমার পাওয়ারও পরিবর্তন হয়।