মজাদার মুচমুচে স্বাস্থ্যকর চিপস

সিনেমা হলে বা ঘরের নেটফ্লিক্স সেশনে মচমচে কিছু সঙ্গী না হলে সিরিজ বা মুভি দেখার আনন্দটাই মাটি হয়ে যায়। আবার এদিকে একগাদা তৈলাক্ত, লবণাক্ত আলুভাজা গলাধঃকরণ করে শরীরের বারোটা বাজতেই থাকে। তাই একটু খুঁজে নিয়ে কিনে ফেলা যায় হেলদি চিপসের প্যাকেট। অন্তর্জাল ঘেঁটে অনায়াসে বানিয়ে ফেলা যায় বেকড ভেজিটেবল চিপস। নিজের পছন্দমতো আরও সব উপকরণ দিয়েও চিপস বানিয়ে খেতে কে বারণ করেছে! এমনই কিছু মচমচে স্বাস্থ্যকর চিপসের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যাক।

মজাদার মুচমুচে স্বাস্থ্যকর চিপস

১. শস্যের চিপস

বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর খাদ্যশস্য, যেমন গম, লাল আঁশসহ চাল, যব, কিনোয়া—এসব ব্যবহার করে কোনো রকম অতিরিক্ত প্রসেসিং ছাড়াই বেক করে বানানো হয় হরেক রকম চিপস। খাদ্যশস্যের পুরোটাই ব্যবহার করা হয় বলে এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার থাকে। তবে এতে ক্ষতিকর ফ্লেভার যোগ করলেই সব ভন্ডুল হয়ে যাবে।

২. কাঁচকলার চিপস

ভারতের দক্ষিণাঞ্চল, শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়ায় যুগ যুগ ধরে মসলাদার কাঁচকলার চিপস একটি ঐতিহ্যবাহী স্ন্যাকস হিসেবে প্রচলিত আছে। কলায় আলুর তুলনায় অনেক বেশি খনিজ লবণ পাওয়া যায় বলে এই চিপস বেশি পুষ্টিকর। এতে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম, আয়রন ও খাদ্য–আঁশ। একে তেলে না ভেজে বেক করে, শুকিয়ে বা ডিহাইড্রেট করে নিলে চিপসটি আরও স্বাস্থ্যসম্মত হতে পারে। পরিবেশনের সময় চাট মসলা, গোলমরিচ ইত্যাদি ছিটিয়ে নেওয়া হয়।

৩. কেইল চিপস

বিশ্বব্যাপী সম্প্রতি সুপারফুড হিসেবে পাতাজাতীয় সবজি কেইলের কদর আকাশচুম্বী। ক্রুসিফেরাস গোত্রীয় এই গাঢ় সবুজ বা বেগুনি পত্রপল্লবকে পাতাকপিই বলা যায়। কেইলে আছে প্রচুর ভিটামিন এ, কে, বি৬। প্রয়োজনীয় খনিজ লবণ, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম আর কপারও মেলে পর্যাপ্ত পরিমাণে৷ এই কেইলের তাজা পাতা ধুয়ে, শুকিয়ে, সৈন্ধব লবণ আর গোলমরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে অলিভ অয়েল স্প্রে করে বেকিং শিটে ছড়িয়ে ৩০০ ডিগ্রিতে ২০ মিনিট বেক করে নিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল মচমচে, সুস্বাদু আর অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর কেইল চিপস।