মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকার জ্বালানি দিচ্ছে ফিলিং স্টেশন

জ্বালানি তেল ডিজেল ও অকটেনের বিক্রি সীমিত করেছে রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত প্রতিষ্ঠান ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন

মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকার  জ্বালানি দিচ্ছে  ফিলিং স্টেশন

গ্রাহকদের কাছে জ্বালানি তেল ডিজেল ও অকটেনের বিক্রি সীমিত করেছে রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত প্রতিষ্ঠান ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ফিলিং স্টেশনটিতে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকার অকটেন এবং গাড়িতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকার ডিজেল বা অকটেন বিক্রি হচ্ছে। জ্বালানি সাশ্রয়ে এমনটি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ট্রাস্টের কর্মীরা।

তবে ট্রাস্ট ছাড়া রাজধানীর অন্য চারটি ফিলিং স্টেশনে আগের মতোই জ্বালানি তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে। বিক্রি সীমিত করার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেও প্রথম আলোকে জানিয়েছেন এসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো যেভাবে জ্বালানি তেলের বরাদ্দ কমিয়ে দিচ্ছে, তাতে শিগগিরই বিক্রি সীমিত অথবা স্টেশন একটি নির্দিষ্ট সময় বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

দুপুরে ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেলচালকেরা ট্যাংক পরিপূর্ণ করার কথা বললে বিক্রয় প্রতিনিধিরা নোটিশ দেখিয়ে দিচ্ছেন। আর বলছেন, ৪০০ টাকার বেশি জ্বালানি তেল বিক্রি করতে পারবেন না।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনের সহকারী প্রকল্প পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, দৈনিক মোট চাহিদার বিপরীতে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি পদ্মা থেকে ৩০ ভাগ বরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে। এ কারণেই বিক্রি সীমিত করা হয়েছে।

বেলা পৌনে একটার দিকে ওই ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য গাড়ি ও মোটরসাইকেলের ভিড় দেখা গেছে। পরে ১টা ১০ মিনিটের দিকে এই ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক জাকির হোসেন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, প্রচুর চাহিদার বিপরীতে কম বরাদ্দ পাওয়ার কারণে বিক্রি সমন্বয় করতেই পাম্প স্টেশন সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। দুপুরে আধা ঘণ্টার মতো স্টেশন বন্ধ রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।