৩০ মার্চ বিয়ের দাবিতে অনশন অবশেষে স্কুলশিক্ষক কলেজছাত্রীকে জীবনসঙ্গী করলেন

অবশেষে বিয়ের দাবিতে অনশন করা কলেজছাত্রী লিলি বিশ্বাসকে (২২) অবশেষে ধর্মীয় রীতি মেনে বিয়ে করেছেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ঘোষেরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুকান্ত মণ্ডল। মঙ্গলবার রাত ১টায় উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গুয়াদানা গ্রামের ওই শিক্ষকের বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করা হয়।

৩০ মার্চ বিয়ের দাবিতে অনশন অবশেষে স্কুলশিক্ষক কলেজছাত্রীকে জীবনসঙ্গী করলেন

এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য পলাশ বিশ্বাস, সাবেক ইউপি সদস্য হরিচাঁন মণ্ডল, সাবেক শিক্ষক বিজন বিশ্বাস, ভীম মণ্ডল, অর্জুন মণ্ডলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

লিলি বিশ্বাস ঢাকার একটি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ও গুয়াদানা গ্রামের নিতাই বিশ্বাসের মেয়ে।

আর শিক্ষক সুকান্ত মণ্ডল একই গ্রামের সুনীল মণ্ডলের ছেলে ও ঘোষেরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

কলেজ ছাত্রী লিলি বিশ্বাস ও সুকান্ত মন্ডলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে সুকান্ত মন্ডল তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তখন লিলি বিশ্বাস বিয়ের দাবিতে ওই শিক্ষকের বাড়িতে অনশন শুরু করেন। অনশনের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এতে চাপে পড়েন স্কুলশিক্ষক সুকান্ত মণ্ডল। শেষ পর্যন্ত প্রেমিকাকে জীবনসঙ্গী করে নিলেন তিনি।

বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য পলাশ বিশ্বাস বলেন, রাত ১২টার পরে আমাকে দুই পরিবারের লোকজন মোবাইলে জানায় সুকান্ত ও লিলির বিয়ে হবে। তখন শিক্ষক সুকান্ত মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় ধর্মীয় রীতি মেনে বিয়ের আয়োজন চলছে। পরে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

কলেজছাত্রী লিলি বিশ্বাস বলেন, গ্রামের মুরব্বিরা উপস্থিত থেকে আমাদের বিয়ে দিয়েছেন। সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করি যাতে সুখে শান্তিতে আমরা সংসার করতে পারি।